পোশাক রপ্তানিতে অগ্রগতি

উদ্যোগ ডেস্ক | পোশাক খাত
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৫
পোশাক রপ্তানিতে অগ্রগতি

দেশের তৈরি পোশাক খাত চলতি অর্থ বছরের (২০২৫-২৬) প্রথম দুই মাসে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত জুলাই-আগস্ট মাসের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৭১৩ কোটি মার্কিন ডলার, যা গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ৯.৬৩ শতাংশ বেশি। টেক্সটাইল খাতের মধ্যে নিটওয়্যার রপ্তানি বেড়েছে ৯.১১ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১০.২৮ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব সত্ত্বেও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ধারা অব্যাহত রাখা একটি ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। জুলাই-আগস্টে ইইউতে রপ্তানি হয়েছে ৩৪১ কোটি  ডলারের পোশাক, যা মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির ৪৭.৮২ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি হয়েছে ১৪৫ কোটি ডলার, যুক্তরাজ্যে ৮৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার এবং কানাডায় ২৪ কোটি ১৮ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়।

 

বার্ষিক প্রবৃদ্ধির দিক থেকে ইইউতে রপ্তানি বেড়েছে ৬.৬০ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্র ১২.৩৩ শতাংশ, কানাডায় ১৩.৬৯ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে রপ্তানি বেড়েছে ১৫.৫১ শতাংশ। গত এক দশকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৫৮ শতাংশের বেশি। ইউরোপের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের সর্বশেষ তথ্য বলছে, ২০১৫ সালে যেখানে বাংলাদেশ থেকে ইইউতে পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ১১.৫৪ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের, ২০২৪ সালে তা দাঁড়িয়েছে ১৮.২৮ বিলিয়ন ইউরোতে।

অন্যদিকে ইউরোপের সামগ্রিক পোশাক আমদানি একই সময়ে বেড়েছে মাত্র ২০.৪৭ শতাংশ। এই প্রবণতা বলছে, ইউরোপে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে এবং দেশটি ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) একজন সাবেক পরিচালক বলেন, বাংলাদেশ এখন আর শুধু কম খরচের উৎস নয়, আমরা টেকসই উৎপাদন। পরিবেশ বান্ধব কারখানা ও শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

  • - করতোয়া

পোশাক খাত'র অন্যান্য খবর

সর্বশেষ