ইপিবির পরিসংখ্যান

বছরের ব্যবধানে বাড়লেও মাসে কমেছে রপ্তানি আয়

উদ্যোগ ডেস্ক | শিল্প-বাণিজ্য
অক্টোবর ২, ২০২৬
বছরের ব্যবধানে বাড়লেও মাসে কমেছে রপ্তানি আয়

চলতি অর্থবছর নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দিয়ে শুরু হলেও দেশের রপ্তানি আয় পরে ইতিবাচক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে। আগস্ট এবং সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় বেড়েছে। গত বছরের একই মাসের তুলনায় গত সেপ্টেম্বরে দেশে রপ্তানি আয় ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেড়ে ৩৯৩ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত অর্থবছরে একই সময়ে যা ছিল ৩৬২ কোটি ডলার। তবে, চলতি বছরের আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে আয় কমেছে ১১ দশমিক ১১ শতাংশ। আগস্টে পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল প্রায় ৪৪৩ কোটি ডলার। গতকাল প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় এই চিত্র উঠে এসেছে। 

ইপিবি বলেছে, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি খাত তার সক্ষমতা ও প্রতিকূলতা মোকাবিলার সামর্থ্য ধরে রেখেছে। দেশের রপ্তানি আয়ের খাত তৈরি পোশাকও প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রেখেছে। তৈরি পোশাকের বাইরেও কয়েকটি প্রধান খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যও ভালো করেছে। পাশাপাশি পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পণ্যের প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তে থাকা আগ্রহে এ খাতের রপ্তানি বাড়ছে। হালকা প্রকৌশল পণ্য, হোম টেক্সটাইলেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বিশেষ করে ওষুধ রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ওষুধ খাতের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও রপ্তানি সম্ভাবনা বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সর্বশেষ রপ্তানি পরিস্থিতি বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা এবং রপ্তানিকারক, শ্রমিক, উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতিফলন বলে মনে করছে ইপিবি।

ইপিবির তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসেও (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলারের পণ্য। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১ হাজার ২৩১ কোটি ডলার।

শিল্প-বাণিজ্য'র অন্যান্য খবর

সর্বশেষ